কিভাবে আপনার বাড়ন্ত শিশুর রাগ প্রসমন করবেন

ফ্রীল্যান্সিং এর কাজ শুরুর ৩১ দিনের এই ধাপের আজ হলো পঞ্চম দিন

July 5, 2017 0

আপনার কাহিনী বলুন ফ্রীল্যান্সিং কাজ শুরুর ৩১দিনের এই ধাপে আজ হলো পঞ্চম দিন ( অথবা নিজেকে আরো ভালো ভাবে তৈরি করার দিন)। ১ম দিন সম্পর্কে বিস্তারিত>>

how to manage angry child

নিজের পছন্দমতো স্ন্যাকস না পাওয়ার কারনে হোক বা খেলার সাথীর সাথে খেলনা নিয়ে খেলতে যেয়ে হোক, প্রায়ই শিশুরা রেগে যায়। রাগ ভালো বা মন্দ যাই হোক, রাগের মাথায় একটি শিশু যে ধরনের আচরন করে, সেটি তার জন্য গঠনমূলক বা ধ্বংসাত্মক হতে পারে। অভিভাবক হিসেবে রাগতঃ অবস্থায় তাকে বুঝিয়ে তার রুমে পাঠিয়ে দিয়ে বা চিৎকার করে তার পাগলামি থামিয়ে দেয়া যেতে পারে। কিন্তু আপনার সন্তানের জন্য এটাই ভালো হবে যদি আপনি তাকে রাগের সাথে ভালো মত মানিয়ে নেওয়ার কৌশলের বিকাশ লাভ করতে সাহায্য করেন।

 

কিভাবে শিশুর রাগ প্রসমন করবেনকথা বলুনঃ শান্ত ভাবে তাকে জিজ্ঞাসা করুন, কি কারনে সে এত বেশী রেগে গিয়েছে। বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা অনেক সময় শিশুকে তার রাগকে বুঝতে ও রাগ কমাতে সাহায্য করতে পারে। যদি আপনার শিশু আপনার সাথে কথা বলতে না চায়, তাহলে সে তার কোন পোষা প্রাণী, খেলনা বা কাল্পনিক বন্ধুর সাথে কথা বলতে স্বস্তি বোধ করতে পারে।

 শারীরিক বহিপ্রকাশঃ শিশুরা মাটিতে পা থপথপিয়ে, বালিশে ঘুষি মেরে, আছাড় মেরে, মোচড় দিয়ে বা জিনিস পত্র ভেঙ্গে তাদের রাগ প্রশমন করতে পারে। চারপাশে ঘুরে বেড়ানো ও কিছুক্ষণের জন্য হেঁটে আসাও কাজে দিতে পারে। শিশুরা যেসব কাজ করতে ভালবাসে, ওই কাজ গুলো করতে তাদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে – ছবি আঁকা, পড়া-  এগুলোর মাধ্যমে রাগ থেকে তার মনোযোগ অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া যায়।

 তাকে সান্ত্বনা ও ভালবাসা দিনঃ

talk to an angry child to manageআপনার ছোট্ট মনিকে বুঝতে দিন যে, আপনি তার অনুভুতি ও পরিস্থিতি নিয়ে সত্যিই যত্নবান। একেবারে ছোট্ট শিশু এবং একটু বড় হয়ে হয়ে উঠা শিশু, উভয়েই যখন হতাশাজনক পরিস্থিতির মোকাবেলা করছে, তখন আপনার শারীরিক উপস্থিতিতে তারা সান্ত্বনা খুঁজে পায়। আপনার শিশুকে ভালবেসে জড়িয়ে ধরুন, এর ফলে সে আপনার ভালবাসা ও নিজের গুরুত্ব অনুভব করতে পারবে।  এটা সত্যিই যাদুর মত কাজ করে।

 ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করুনঃ শিশুরা বড়দেরকে অনুকরন করে, তাই আপনি কিভাবে আপনার রাগ ও হতাশাকে নিয়ন্ত্রন করেন, তা অবশ্যই আপনার শিশুকে প্রভাবিত করবে। আপনার শিশুর সামনে ইতিবাচক মানিয়ে নেওয়ার কৌশলের আদর্শ স্থাপন করুন – যেমন আপনি এমন কিছু করেন যা আপনাকে শান্ত রাখে বা হতাশা ব্যঞ্জক পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখে। ঠিক একই ভাবে আপনার শিশু ও আপনাকে দেখে একই ভাবে প্রতিক্রিয়া করা শিখবে।

 তার ভালো আচরণের প্রশংসা করুনঃ আপনার শিশুকে বুঝতে দিন যে, যে যখন তার রাগকে ইতিবাচক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারে, তখন আপনি সেটা লক্ষ্য করছেন।

দ্রষ্টব্যঃ এই ওয়েব সাইট এ প্রদত্ত তথ্য শুধু মাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করা হয়েছে।  চিকিৎসকের পরামর্শ বা যত্নের  বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এটি দেওয়া হয়নি। আপনার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বা পারিবারিক ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন শারীরিক সমস্যা নিরুপন বা চিকিৎসায় এই তথ্য ব্যবহার করা উচিত নয়। আপনার বা আপনার সন্তানের অবস্থা সম্পর্কে থাকা কোন প্রশ্ন বা বিষয় সম্পর্কে জানতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

 

 

 

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


Enjoy this blog? Please spread the word :)