মা ও শিশুর সাস্থ্য

কোয়ালিটি আর্টিকেল নিয়ে দুঃশ্চিন্তা! দুর করুন আজই

Digital lifestyle with Yoonla,

Create Your Digital Lifestyle with Yoonla

March 26, 2018 Sultana 1

আপনি কি Affiliate বা CPA Marketing নিয়ে কাজ করবেন বলে ভাবছেন বা নতুন কি প্রডাক্ট সিলেকশন করবেন তা নিয়ে রিসার্স করছেন? এক্ষেত্রে Yoonla Digital Lifestyle বিস্তারিত>>

সাস্থ্য সেবা আমাদের  জীবনের অন্যতম মৌলিক চহিদা।আমােদর উচিত সবসময় সাস্থ্য বিষয়ক তথ্যগুলো জানা।বিশেষ করে  মা ও শিশুর সাস্থ্য সম্পরকে আাদের সবাইকে অবহিত হতে হবে।যে কোনো দেশের জন্য মা ও শিশুর সাস্থ্য একটি গুরুতব পূরন বিষয়। মায়ের সাস্থ্য ভালো থাকলে শিশুর সাস্থ্য ভালো থাকবে।প্রচলিত  কথা আছে আজকের শিশু  আগামী  দিনের ভবিষ্যৎ। কাজেই মায়ের সাস্থ্যের প্রতি আমাদের যতনবান হতে হবে। না হয় ভবিষ্যৎ হবে অনধকার।তাই  প্রথমেই মায়ের প্রজনন সাস্থ্যের দিকে লখ্য রাখতে হবে।

Screenshot_2016-02-16-03-58-18

প্রজনন সাস্থ্য ঃ

প্রজনন  সাস্থ্য বলতে সন্তান জন্মদানের সাথে জড়িত মা ও বাাবার প্রজনন  অঙ্গ  সমুহের সামগ্রিক  সুস্থতা ও সেই  সাথে মানসিক সুস্থতাও বুঝায়।প্রজনন সাস্থ্যের রোগ সম্পরকে  জানা অত্যাবশ্যকীয়। বিভিন্ন  কারনে প্রজননন সাস্থ্য জনিত রোগ হয়ে থাকে।

*জীনগত বা জনমগত অস্বাভাবিকতা

*ক্যানসার

*যৌনবাহিত রোগ

*যৌন সন্তুষ্টির অভাব এবং অনুরবরতা।

প্রজনন  সাস্থ্য সেবার জন্য  ডাক্তার ও পরিবার পরিকাল্পনা করমির পরামর্শ  নিতে হবে। তাই গর্ভধারনের পূর্বে মা ও বাবার সাস্থ্য,  মায়ের  গর্ভকাল  ও। সসন্তান পালন সংক্রানত বিষয়ে সচেতন  হওয়া দরকার।

গর্ভকালীন  মায়ের সাস্থ্য সেবা ও যত্ন :

গর্ভকালীন সময়ের মধ্যে মা ও তার পেটের সন্তানের যত্ন নেয়াকে গভর্কালীন যত্ন বলা হয়।নিয়মিত পরীক্ষা ও উপদেশ পালনের মাধ্যমে গর্ভকালীন  যত্ন পরিচালিত হয়।গর্ভকালীন যত্নের প্রধান  উদ্দেশ্য হলো মা মানসিক ও শারিরীক ভাবে সুস্থ থাকা যাতে তার প্রসব  সবাভাবিক হয়, একটি সবাভাবিক ও সুস্থ সন্তান জন্ম দেন, সন্তানকে বুকের দুধ  দিতে পারেন এবং মা নিজে ও তার শিশুর যত্ন  নিতে  পারেন।

*গর্ভকালীন অবস্থায় মায়ের কোন অসুখ হলে তা নিরনয় করে চিকিৎসা  করা।

*ঝুকিপূর্ন গর্ভ সনাক্ত করা।

*গর্ভাবসথায় অন্তত চারবার  গর্ভকালীন সাস্থ্য পরীক্ষা  করা।

*টিটেনাস  টিকার ৫টি ডোজ সম্পন্ন করতে হয়।

*ম্যালেরিয়া ও ফাইলেরিয়া রোগ প্রতিরোধের জন্য মশারী ব্যাবহার করা।

*একটি সুসথ ও স্বাভাবিক  ওজনের সনতানের জন্ম নিশ্চিত  করার জন্য পুষটির অবসথা নিরনয় ও এ ব্যাপারে সঠিক দিক নির্দেশনা   প্রদানের জন্য মায়ের ওজন নেয়া  খুবই গুরুতবপূরণ।

*গর্ভাবস্থায় একজন  মা ও শিশুর সুসথ ভাবে বেরে ওঠার জন্য দরকার সমন্বিত ও সঠিক খাদ্য গ্রহন করা।একটি শিশুকে সঠিকভাবে বেরে ওঠার জন্য মাকে প্রতিদিন  অতিরিক্ত প্রায়  ৩০০ ক্যালোরি  খাদ্য গ্রহন করা উচিৎ।

* গর্ভবতী মাকে শক্তিদায়ক খাবার (ভাত,রুটি,আলু,সয়াবিন তেল,বাদাম,ঘি, ডিমের কুসম, ইত্যাদি) খেতে হবে।

*শক্তখয় পূরন এবং  নবজাতকের শরীর বৃদ্ধি  কারক খাবার (মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের সাদা অংশ, বিভিন্ন রকম ডাল,সীমের বীচি,ইত্যাদি খেতে হবে।

*রোগ প্রোতিরোধক খাবার যেমনঃ ফল মূল খেতে হবে।

*আয়োডিন  যুক্ত লবন তরকারীর সাথে খেতে হবে।আবার অতিরিক্ত  লবনও খাওয়া যাবে না।

*পরিষ্কার  পরিচ্ছন্ন  থাকতে হবে। নিয়মিত গোসল করতে হবে।

*জরদা, তামাক, সাদাপাতা খাওয়া ও গুল ব্যাবহার করা যাবে না।ধুমপান করা যাবে না।

*শরীরে ঝাঁকি লাগে এমন কোন কাজ করা যাবেনা।

গর্ভকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবসথা গুলো  :

*গর্ভবতী মার প্রসবের জন্য একজন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ধাত্রি  বা সাস্থ্যসেবা দানকারীকে আগেই ঠিক করে রাখতে হবে।

*অতিরিক্ত  রক্তের দরকার  হতে পারে। তাই তার ব্যাবস্থা করে রাখতে হবে।

*গর্ভকালীন কোনরকম জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত  হাসপাতালে নেয়ার  ব্যাবস্থা  নিতে হবে।

*গর্ভকালীন সময়ে মাকে  ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ  খাওয়ানো যাবে না।

 

গর্ভবতী  মায়ের সাস্থ্য সেবা :

*রক্তক্ষরণ

*প্রচণ্ড জর

*তীব্র মাথাব্যথা ও চোখে ঝাপসা  দেখা

*খিচুনী

*অনেকক্ষণ ধরে প্রসব  বেদনা/বিল্মবিত প্রসব (১২ঘণ্টার অধিক সময় ধরে থাকলে)

*প্রসবের সময় মাথা ছাড়া অন্য কোন অংগ বের হয়ে আসা

 

প্রসবকালীন বিপদগুলো পরিবারের সবার জনা উচিত।

সন্তান জন্মদেয়ার পর থেকে ৬ সপতাহ পরযনত সময়কে”প্রসবোত্তর কাল” বলে।প্রসবোত্তর সেবা প্রতিটি নারীর জন্য একটি অপরিহার্য  অংশ। এ সময়কে মায়ের প্রতি বিশেষ সেবাও বলা হয়।এসময়ে মাকে সুস্থ রাখতে সব ধরনের পুষটি উপাদান সমৃদ্ধ খাবার খেতে দিতে হবে এবং বাড়তি যত্ন নিতে হবে।তাতে শিশুর বৃদ্ধির জন্য মায়ের দুধে বিদ্যমান প্রয়োজনীয় সকল পুষটি উপাদান গ্রহন করতে পারবে।প্রত্যেকবার খাবার গ্রহণ  করার সময় প্রসুতি মাকে স্বাভাবিকের চেয়ে কমপক্ষে  দু’ মুট বেশী  খেতে হবে। এই অতিরিক্ত  খাবার শিশুর মায়ের দুধ তৈরী করতে সাহায্য  করবে এবং মায়ের শরীরে পুষটির ঘাটতি পূরণ করে।

মায়ের দুধ খাওয়ানো ও শিশুর পুষটি :

জন্মের পর প্রথম ৩-৫দিন মায়ের স্তন থেকে হলুদ রং এর ঘন আঠালো দুধ বের হয় তাকে শালদুধ বলে। এ দুধে প্রচুর পরিমান ভিটামিন এ এবং অন্যান্য  ভিটামিন  থাকে যা শিশুর রোগপ্রতিরোধ খমতা ব্বৃদ্ধি  পায়। শিশুর শরীরে  যতটুকু পানির দরকার তা এ দুধে থাকে বলে শিশুকে বাড়তি পানি খাওয়ানোর প্রয়োজন হয় না। মায়ের দুধ  সবসময়ই নিরাপদ। কারণ এটি বাসি বা সংক্রমন হবার কোন স্মভাবনা থাকে না।

Screenshot_2016-02-16-03-52-51

মায়ের উপকারিতা :

* শিশুকে জন্মের পরপরই মায়ের দুধ খাওয়ালে

*জরায়ু  দ্রুত সংকুচিত হয় এবং মা তাড়াতাড়ি আগের অবস্থায় ফিরে যায়

*গর্ভফুল  তাড়াতাড়ি  বের হয়ে যায় এবং রক্তপাত  কমহয়।

* বেশী  খেলে মায়ের দুধ  তৈরী হয়

* মা মানষিক তৃপ্তি  পান।

নবজাতক শিশুর সাস্থ্য সেবা :

*নবজাতক  শিশুর যত্ন নিতে হবে।

*শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।

*শিশুকে বাড়তি খাবার খাওয়াতে হবে।

*শিশুর যাতে রোগ সংক্রমন না হয় সেদিকে দৃষ্টি  রাখতে হবে।

*এছাড়া ডায়রিয়া,পাতলা পায়খানা,নিউমোনিয়া, অনধত্ত হয় সে দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

মা ও শিশুর  সাস্থ্য ভালো থাকলে পরিবার ও  দেশ সুস্থ ও সুন্দ্র থাকবে।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*